বিবাহ সাদী সম্পর্কে ইসলামের বিধি-বিধান
হাদীস পাকে
বিবাহ সাদী
আল্লাহ
পাক ছোবাহানাতায়ালা বিবাহের মাধ্যমেই মানুষকে (নার-নারী) ব্যাভিচারে ন্যায় এমন
একটি কঠিন পাপ থেকে হেফাজত বা মাহফুজ রাখার ব্যবস্থা করেছেন। আর এ কারণে রাসূলে
পাক (সাঃ) বিবাহকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। বিয়ের
মাধ্যমে মানুষ একদিকে যেমন অশালীন, অশ্লীল, পাপ কার্য্য থেকে বিরত থাকে, ঠিক তেমনি
শারীরিক সুস্থতা, মানসিক প্রশান্তি, রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারেও বিশেষ ভূমিকা রাখে।
কোরান ও হাদীস পাকে বিবহি সাদীসহ জীবনের সর্ববিষয়ে পরিপূর্ণভাবে আলোচিত হয়েছে।
শারীরিক সুস্থতা, মানসিক প্রশান্তি ও রোগ প্রতিরোধের জন্যেও কোরান হাদীস
নিয়ম-কানুন, কলাকৌশল মেনে চরা একান্ত আবশ্যক। যেমন- কোরআন পাকে ঋতুবর্তী অবস্থায়
সহবাস করা সম্পূর্ণ নিষেধ হয়েছে।
আল্লহা পাক কোরান পাকে এরশাদ করেছেন- “তোমরা ঋতুবর্তী
স্ত্রীদের সাথে সহবাস থেকে বিরত থাকবে।”
পবিত্র কোরানে উক্ত নির্দেশের আলোকে
আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানেও এ তত্ত্ব উদঘাটন করেছে যে ঋতুস্রাবের নির্গত রক্তে
বিভিন্ন ধরনের রোগ-জীবানু, বিষাক্ত পদার্থ, সর্বোপরি শরীরের অপ্রয়োজনীয় বিষ সদৃশ বজ্রপদার্থ থাকে। যা শরীরে দীর্ঘদিন
অবস্থান করলে স্বাস্ত্যহানীর সম্ভবনা থাকে। অনুরূপভাবে ঋতুবর্তী অবস্থায় সহবাস
থেকে বিরত থাকার কারণ হলো, ঋতুবর্তী মহিলাদের লজ্জাস্থান রক্তক্ষরণের ফলে আড়ষ্ট
হয়ে থাকে এবং অভ্যন্তরীণ শিরা-উপশিসাসমূহও রক্তক্ষরণের
দরুন সংকুচিত থাকে। এ অবস্থায় সহবাসে মহিলাদের কষ্ট অনুভব করে। উক্ত সহবাসের ফলে
ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে এ ছাড়া প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া সহ
বিভ্নি ধরনের রোগব্যাধি হতে পারে।
অস্বাভাবিক
পদ্ধতিতে কাম ক্ষুধা নিবারণ নিষেধ
হযরত হুজায়মা ইবনে ছাবেত (রহঃ) থেকে
একটি হাদীস বর্ণিত আছে, যার শেষ অংশ রাসূল পাক (সাঃ) এরশাদ করেছেন, “তোমরা
মহিলাদের পায়ুপথে কাম ক্ষুধা নিবারণ করো না। যে ব্যক্তি স্ত্রীর পায়ুপথে কাম
ক্ষুধা নিবারণ করে, আল্লাহ তার প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না। যে ব্যক্তি স্ত্রীর
পায়ুপথে কামক্ষুধা নিবারণ করে, সে নিশ্চিত অভিশপ্ত। (আবু দাউদ)
ইমাম গাজ্জালী (রহঃ) তাঁর “এহওয়াউল
উলুম” গ্রন্থে লিখেছেন পায়ুপথে কাম ক্ষুধা নিবারণ হারাম এবং বহুবিধ রোগব্যাধির
উৎপত্তির কারণ (হস্তমৈথুন), যা স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর।
“ওমদাতুল আহকাম” নামক গ্রন্থে হযরত
জাবীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে রাসূলে পাক (সাঃ) এরশাদ করেছেন, “একসাথে এক প্লেটে
বসে খানা খাওয়ার মথ্যে রোগ নিরাময়ের বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে।”
আরো এরশাদ করেছেন, সই ব্যক্তিটি
নিকৃষ্ট, যে ব্যক্তি একাকী আহার করে, স্বীয় পরিচারিকাদের প্রহার করে এবং তাদের সাহায্য
সহাযোগিতা বন্ধ করে দেয় এবং স্বীয় হস্তের সাথে বিবাহের (হস্তমৈথুন) আবদ্ধ হয়।
একদিন হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর বৈঠক
থেকে সবাই চলে যাওয়ার পর একটি যুবক বসে রইল। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) সে যুবকটিকে
প্রশ্ন করলেন, “তোমার কোন প্রয়োজনীয় কথা আছে? যুবকটি বলল, আমি আপনাকে একটি মাসআলা
জিজ্ঞাসা করতে চাই, যা আপনার মজলিশে জনসমাগম থাকায় প্রশ্ন করতে পারিনি। সেই সাথে
আপনার ব্যক্তিত্ব ও গাম্ভীয আমাকে আরো প্রভাবিত করেছে। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)
বললেন, “একজন ধর্ম বিশেষজ্ঞ আলেমম এর মর্যাদা তোমার পিতৃতুল্য। তুমি যে কথা তোমার আব্বার
সামনে বলতে পারবে, তা আমার সামনেও বলতে পারবে।
অতঃপর যুবকটি বলল, আমি একজন
প্রাপ্তবয়স্ক যুবক আমার কোন সহধর্মিনী নেই, যার কারণে অধিকাংশ সময় আমি হস্তমৈথুন
দ্বারা আমার কাম ক্ষুধা প্রশমিত করে থাকি; এটা কি আমার অপরাধ? হযরত ইবনে আব্বাস
(রাঃ) তার দিক থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিয়ে বললেন ছিঃ ছিঃ এনেন অপকর্ম হতে তোমার শরূয়ত
অনুমোদিত বাঁদীর সাথে বিয়ে করাই শ্রেয়। “কাম ক্ষুধা নিবারণের জন্য হস্তমৈথুনের
হারাম এবং অভিশাপের কারণ।” (ফাতোয়ায়ে রহিমীয়া, ৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা ২৭৬)
যা স্বাস্থ্য সম্মত সহবাস
ইমাম গাজ্জালীর (রহঃ)-এর মতে, একবার
স্বপ্নদোষ বা সহবাস করার পর
পুনরায় সহবাস করতে হলে মধ্যবর্তী সময়ে পুরুষাঙ্গ ধৌত করতে হবে। অথবা প্রস্রাব করতে
হবে।
যে
সময়ে বা অবস্থায় সহবাস বিরত থাকা উত্তম
“জামে কবীল” গ্রন্থে, হযরত উম্মে
সালমা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, কোন স্ত্রীর চক্ষু উঠলে সুন্থ না হওয়া পর্যন্ত রাসূলে
পাক (সাঃ) তাঁর সাথে সহবাস করতেন না।
নিষিদ্ধ
কার্যাবলীঃ
সহবাসের পর পানি (বিশেষ করে ঠাণ্ডা
পানি) পান করা নিষেধ। দাঁড়িয়ে সহবাস নিষেধ। সহবাসকারে স্ত্রী চিহ্ন অবলোকন করা
নিষেধ।
“মিরআতুল ইসলাম” নামক গ্রন্থে লেখক
লিখেছেন, সহবাস শেষে স্বামী-স্ত্রী প্রস্রাব করে নেয়া উচিত। অন্যথায় জটিল যৌনে
রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা থাকে।
সহবাসের
পর যা করণীয়
রাসূলে পকা (সাঃ) বলেছেন,
স্বামী-স্ত্রীর গোপনীয় আলাপ আলোচনা সঙ্গী-সাথীদের মধ্যে বর্ণনা করতে নিষেধ করেছেন।
উপরন্ত তা নির্লজ্জতা ও অসভ্যতার কাজ; যা কোন সংস্কৃতবান পুরুষের কার্য্য হতে পারে
না।
If you’re searching for a trustworthy Bangladeshi matrimony platform, bdmatrimonysite.com is a helpful place to begin. It brings together families and individuals who are serious about bd marriage, making it easy to find suitable matches whether you are looking patro chai or patri chai. The platform supports traditional values while helping people connect for muslim marriage, bd matrimonial matches, and meaningful bibaho or shaadi arrangements.
ReplyDeleteBDmatrimonysite.com was founded by Mir Kashem, also known as Mir Abul Kashem, a Bangladeshi web developer, SEO expert, and digital marketer living in Savar, Dhaka, Bangladesh. Born on October 5, 1998, in Manikganj, he has built several online platforms including freepostjobs.com, alljobs.com.bd, doctypepdf.com, and postremotejobs.com. Through his work, he aims to make online matchmaking safer, easier, and more accessible for people seeking a life partner in Bangladesh.